Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রেমানন্দ মহারাজের অলৌকিক মন্ত্র, প্রতিটি কোণ থেকে ময়লা বেরিয়ে আসবে

 


আয়ুর্বেদের ক্ষেত্রে, প্রেমানন্দ মহারাজের ঘরোয়া প্রতিকারগুলি কোনও অলৌকিক ঘটনার চেয়ে কম নয়। তাঁর প্রস্তাবিত টোটকা কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেটের সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষভাবে কার্যকর। প্রায়শই আমাদের খারাপ জীবনধারা এবং খাদ্যাভ্যাসের ব্যাধির কারণে পেটে ময়লা জমে, কিন্তু পেট পরিষ্কার না হওয়ার কারণে তা কোষ্ঠকাঠিন্যে পরিণত হয়। বেশ কয়েকদিন ধরে পেট পরিষ্কার না থাকা কেবল হজমের উপর প্রভাব ফেলে না, বরং মানসিকভাবেও বিরক্তিকর।


কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য ঘরোয়া প্রতিকার কার্যকর প্রমাণিত হতে পারে, যা এই সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি দিতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে, কেউ কোনও কাজে মনোনিবেশ করতে পারে না। এই কারণেই প্রেমানন্দ মহারাজ যারা ভক্তি এবং ঈশ্বরের নাম জপ করেন তাদের পেট পরিষ্কার রাখার কার্যকর পদ্ধতি বলেছেন যাতে মন বিক্ষিপ্ত না হয়। এছাড়াও, মানসিক এবং শারীরিকভাবে মনোযোগী থাকুন। মহারাজ জির এই অলৌকিক প্রতিকারের মাধ্যমে, আপনার পেট পরিষ্কার থাকবে এবং পেটের প্রতিটি কোণ থেকে ময়লা বেরিয়ে আসবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়?

প্রেমানন্দ মহারাজের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য মূলত ভুল জীবনধারা এবং ভারসাম্যহীন খাদ্যাভ্যাসের ফলাফল। এর বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে:

ফাইবারের অভাব: খাবারে ফাইবারের অভাব হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়, যার ফলে মলত্যাগে সমস্যা হয়।

জলের অভাব: পর্যাপ্ত জল পান না করলে শরীর জলশূন্য হয়ে পড়ে এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা ব্যাহত হয়।

অতিরিক্ত ভাজা এবং মশলাদার খাবার খাওয়া: এই ধরনের খাবার অতিরিক্ত খেলে পাচনতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে।

শারীরিক কার্যকলাপের অভাব: বেশিরভাগ সময় বসে থাকা এবং ব্যায়াম না করা পেটের পেশীগুলিকে সক্রিয় রাখে, যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়।

মানসিক চাপ এবং খারাপ রুটিন: মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত ঘুম এবং জাগ্রত হওয়ার সময় হজম ব্যবস্থার উপর খারাপ প্রভাব ফেলে।
অতিরিক্ত খাওয়া: অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং অ্যাসিডিটিও হয়।

কেন একজনের সহজ খাবার খাওয়া উচিত?

মহারাজ বিশ্বাস করেন যে সহজ খাবার শরীর ও মন উভয়কেই সুস্থ রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে।

পাচনতন্ত্রের জন্য উপশম: সহজ এবং হালকা খাবার সহজে হজম হয়, যা পেটের উপর অতিরিক্ত চাপ দেয় না।

শরীরকে বিষাক্ত পদার্থমুক্ত করে: সাধারণ খাবার শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলিকে পরিষ্কার রাখে।
রোগ প্রতিরোধ: সাধারণ খাবারে বেশি পুষ্টি থাকে এবং এটি শরীরকে রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি দেয়।

মানসিক শান্তি: সুষম এবং সহজ খাদ্যাভ্যাস মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং ধ্যানে সহায়তা করে।

দীর্ঘমেয়াদী সুস্থ জীবন: সহজ খাবার শরীরকে শক্তি প্রদান করে এবং দীর্ঘ সময় ধরে সুস্থ জীবনযাপনের ক্ষমতা প্রদান করে।

প্রেমানন্দ মহারাজের পরামর্শ: কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হজমশক্তি উন্নত করার উপায়

সহজ খাবার খান: প্রতিদিন কম তেল-মশলা এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার উপর অগ্রাধিকার দিন।

জল পান করুন: প্রচুর জল পান করুন, বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা গরম জল।
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান: তাজা ফল, শাকসবজি এবং ওটমিলের মতো খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক।

ব্যায়াম: প্রতিদিন যোগব্যায়াম এবং হালকা ব্যায়াম করুন, বিশেষ করে প্রাণায়াম এবং কপালভাতি।
মানসিক চাপ এড়িয়ে চলুন: ধ্যানের মাধ্যমে মানসিক শান্তি পান।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য প্রেমানন্দ মহারাজের বিশেষ রেসিপি

মহারাজ জি বলেছিলেন যে কিছু জিনিস মনে রাখলে পেট পরিষ্কার রাখা খুব সহজ। এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং সহজ। এর জন্য আপনার প্রয়োজন:

ত্রিফলা গুঁড়ো - ১ চা চামচ

হালকা গরম জল - ১ গ্লাস

মধু - ১ চা চামচ

কিভাবে ব্যবহার করে?

রাতে ঘুমানোর আগে হালকা গরম জলে ত্রিফলা গুঁড়ো মিশিয়ে নিন।

প্রয়োজনে এতে মধু মিশিয়ে পান করুন।

এটি নিয়মিত খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য মূল থেকে দূর হয়।

এই রেসিপির উপকারিতা

পেট পরিষ্কার: এই মিশ্রণটি পেট গভীরভাবে পরিষ্কার করে এবং অন্ত্রে জমে থাকা ময়লা দূর করে।
হজমশক্তি উন্নত করে: ত্রিফলা গুঁড়ো এবং হালকা গরম জল হজমশক্তি উন্নত করে এবং গ্যাস, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা দূর করে।

ডিটক্সিফিকেশন: এটি শরীরকে ভেতর থেকে ডিটক্সিফাই করে, যা ত্বকের উপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রাকৃতিক প্রতিকার: এটি সম্পূর্ণ আয়ুর্বেদিক এবং এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

বিপাক উন্নত করে: নিয়মিত সেবন বিপাক উন্নত করে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক প্রমাণিত হয়।

এই সতর্কতাগুলি অবশ্যই মেনে চলুন

ত্রিফলা গুঁড়ো অতিরিক্ত পরিমাণে খাবেন না।

গর্ভবতী মহিলা এবং শিশুদের এটি ব্যবহারের আগে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

যদি কারো ইতিমধ্যেই কোনও শারীরিক অবস্থা থাকে, তাহলে অবশ্যই একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

কোন মন্তব্য নেই: